কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: রবিবার, ২ আগস্ট, ২০২৬ এ ০৯:৪৪ AM

মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহ শুরু। সময়কাল: ১ থেকে ৭ আগস্ট, ২০২৬।

কন্টেন্ট: খবর প্রকাশের তারিখ: ০২-০৮-২০২৬ আর্কাইভ তারিখ: ৩০-০৬-২০২৭

আজ থেকে মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহ শুরু।
সময়কাল: ১ থেকে ৭ আগস্ট, ২০২৬।

প্রতিপাদ্য (Theme): "Breastfeeding for a sustainable start in Life: Strengthen what works" (টেকসই জীবনের শুরুতে স্তন্যদান: যা কার্যকর তা শক্তিশালী করা)।

মূল লক্ষ্য: শিশুস্বাস্থ্য সুরক্ষা, পুষ্টির মান উন্নয়ন এবং মায়ের দুধ খাওয়ানোর বিষয়ে বিশ্বব্যাপী জনসচেতনতা ও সহায়তা বাড়ানো।

অথচ দুঃখজনক হলেও সত্যি, বাংলাদেশে বাচ্চার জন্মের পর ১ম অভিযোগই হলো বাচ্চা বুকের দুধ পায় না, বুকের দুধ খায় না। কারনগুলো কেউ খুঁজেও না, বুঝেও না।

১ম কথা, যিনি বুকের দুধ দিবেন, অর্থাৎ মা, তার যত্নের দরকার, পুষ্টিকর খাবার দরকার, বিশ্রাম দরকার ও মানসিক শান্তি নিশ্চিত করা দরকার।

২য় কথা, একটা ছোট বাচ্চার পেট ছোট, একটু টানলেই তা ভরে যায়। পেট খালি না হওয়া পর্যন্ত সে আর খাবে না, এটাই নিয়ম। অথচ পেশাব করার সাথে সাথেই, খাওয়ানোর পর ১০/১৫ মিনিট না যেতেই ঘরের সবাই মাকে বুকের দুধ দেয়ার জন্য তাড়া দিতে শুরু করে ; ফলে মায়ের রেস্ট হয় না।

৩য় কথা, বাচ্চার পেট খালি হতে যেমন সময় লাগে, মায়ের বুকের দুধ তৈরি হতেও সময় লাগে। ফোটা ফোটা জমে তবেই ২/৩ ঘন্টায় জমে ভারী হলে বাচ্চা ভালোভাবে খেতে পাবে।

শেষ কথা, বাচ্চা তো কথা বলতে জানে না যে বলবে, আমার এখন পেট খালি, আমার এখন খিদে নাই। সে যা বলতে চাইবে সব কান্নার মাধ্যমেই বলবে। তার খিদে লাগলেও যেমন কাঁদবে, ঘুম, পেশাব, পেট ব্যথা, কোলে চড়া সবকিছুর জন্যই কাঁদবে। সব কান্না তো খাওয়ার জন্য না।

এর সাথে খেয়াল রাখতে হবে, বাচ্চাকে যেন শোয়ায়ে না খাওয়ানো হয়, উঁচু করে খাওয়াতে হবে, খাওয়ানোর পর ঢেকুর তোলাতে হবে এবং পেশাব যদি ৪ বারের বেশি হয় (৬ থেকে ১২ বার হলে ঠিক আছে) তাহলে বুঝতে হবে, বাচ্চা ঠিকমতো বুকের দুধ পাচ্ছে।

এরসাথে মায়ের ঘুম, পুষ্টিকর খাবার ও বিশ্রাম নিশ্চিত করতে হবে বাচ্চার পেট ভরার মতো পর্যাপ্ত বুকের দুধ পেতে হলে।

ফাইল ১
ফাইল ২

এক্সেসিবিলিটি

স্ক্রিন রিডার ডাউনলোড করুন